দীর্ঘ জীবনের জন্য যা প্রয়োজন

কেউ চিরদিন বেঁচে থাকবে না। একদিন সবাইকে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে, এটাই স্বাভাবিক। তারপরও কিছু কিছু অভ্যাস আছে যার কারণে অনেকের মৃত্যুর সময় ত্বরান্বিত করছে। এর মধ্যে খাদ্যাভাস এবং জীবনযাপন পদ্ধতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনযাপন করতে যেসব অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি-

১. প্রক্রিয়াজাত খাবারে অনেক বেশি চিনি, লবণ ও ফ্যাট থাকে৷ এইসব খাবারে ফাইবার অনেক কম থাকে৷ এ ধরনের খাবার নিয়মিত খেলে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। এ কারণে খাদ্যতালিকা থেকে এ ধরনের খাবার বাদ দিতে হবে। সেই সঙ্গে শাকসবজি ও ফলমূলজাতীয় খাবার যোগ করতে হবে।

২. নেতিবাচক মনোভাব যে কারও ভিতরের শক্তি নষ্ট করে দেয়৷ এতে মানসিক চাপ বাড়ে। তখন রাগ, হতাশা, বিষণ্ণতা ও উদ্বিগ্নতা-এসব অনুভূতি বৃদ্ধি পায়। কারও কারও ক্ষেত্রে বেশি খাওয়ার প্রবণতাও বাড়ে। তাই নেতিবাচক চিন্তা বাদ দিয়ে ইতিবাচক চিন্তা করুন৷ প্রয়োজনে সৃজনশীল কাজে মনোযোগ দিন। নেতিবাচক চিন্তা এলে যোগব্যায়াম, ধ্যান করুন।

৩. গবেষণা বলছে, দিনে ৩০ মিনিটের ব্যায়াম আপনার আয়ু বাড়িয়ে দেবে৷ তাই দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা লাভের জন্য সারাদিনের কিছুটা সময় বেছে নিন ব্যায়ামের জন্য৷

৪. স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন৷ ঘুমের হ্রাস বৃদ্ধি মানুষের মৃত্যু হারের উপর প্রভাব বিস্তার করে৷ নিয়মিত কম ঘুমালে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্থূলতার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে৷ আর নিয়মিত ভালো ঘুম হলে মানসিক চাপ, হতাশা কমে যায়। হৃৎপিণ্ডও ভাল থাকে।

৫. নিজে উদ্যমী হয়ে কোন কাজ করার চেষ্টা করুন। এই উদ্যমও আপনাকে বেশি দিন বাঁচার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

৬. পরিবারের ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান। মানসিক চাপ থাকলে প্রিয়জনদের সঙ্গে শেয়ার করে মন হালকা করার চেষ্টা করুন। সুন্দর পারিবারিক পরিবেশ আপনার আয়ু বাড়াতে সাহায্য করবে।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.